মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মুক্তিযোদ্ধে কাকারা

যার স্বাক্ষ্য বহন করে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা কমরেড সুরেশ চন্দ্রের সাথে মাষ্টারদা সূর্যসেন, রামকৃষ্ণ বিশ্বাস, তারেকেশ্বর, সুকেন্দু দত্ত সহ বহু বিপস্নবী নেতা চকরিয়ায় আত্মগোপন করেছিলেন এবং কাকারা থেকে ব্রিটিশ বিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। ৭১এর স্বাধীনতা সংগ্রামে ৭ই মার্চ রেসকোর্সের আহবান এবং ২৬শে মার্চের কালুঘাটের আহবানে মাতৃভূমি রক্ষার তাগিদে কাকারাবাসী থেমে থাকেনি। অন্যান্য আন্দোলনের মত স্বাধীনতা সংগ্রামে কাকারা বাসীর অংশগ্রহণ স্বাধীনতার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ১৯৭১সালের ১০ মার্চ দেশপ্রেমিক কাকারা বাসীর বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ সুগম করার লক্ষ্যে স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ এবং স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম চকরিয়া থানা গঠন করে। তথ্য উপাত্ত যতটুকু জানা যায় সর্বপ্রথম এসকে শামসুল হুদাকে সভাপতি এবং প্রাক্তন জাতীয় সংসদ সদস্য ডা: শামসুদ্দিন চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মন্ডিত করে স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।

 

যে তিনজন ব্যক্তি সংগ্রাম পরিষদের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন তারা হচ্ছেন কাকারার আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, শামসুল হুদা বিএসসি, হাজী আবু তাহের। মফজল আহমদ ও মাষ্টার আবদুল মালেক কোষাধ্যক্ষ ও সহ কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছিলেন। জমির উদ্দিন ও তাহের আহমদ সাংগঠনিক ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। অতঃপর আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বাবু মিয়া, মাষ্টার আবদুল মালেক, মফজল আহমদ, মোজাম্মেল হক বিএ অধ্যাপক মমতাজ আহমদ চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালী, হাবিলদার গোলাম কাদের, হাবিলদার আবুল কালাম, মৌলানা নজির আহমদ প্রমুখ সংগ্রাম পরিষদের সার্বিক তত্তবাবধানে ছিলেন। সংগ্রাম কমিটি গঠনের অব্যবহিত পরে আনোয়ারুল হাকিম দুলালকে আহবায়ক করে সিরাজুল হক, এনামুল হক, সাহাবুদ্দিন, রেজাউল করিম চৌধুরী, খায়রম্নল আলম, আনোয়ার হোসাইন, শিবিবর আহমদ, গিয়াস উদ্দিন, আবু তাহের এবং শামসুল আলমকে সদস্য করে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এই কমিটির সার্বিক তত্তাবধানে ছিলেন এ এইচ এম সালাহ্ উদ্দিন মাহমুদ, নুরুল আবছার এবং নাছির উদ্দিন। ১০ই মার্চ থেকে ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পূর্বদিন পর্যমত্ম প্রায় ২ হাজারের অধিক লোক চকরিয়ায় প্রশিক্ষণ শিবির থেকে গেরিলা ট্রেনিং গ্রহণ করেছিল বলে জানা যায়।  


Share with :
Facebook Twitter